হ্যান্ড স্যানিটাইজার অভাব পূরণ করতে উদ্যোগী হলেন ফার্মাসিস্টরা




সারা বিশ্বে COVID-19 এর প্রভাব বেড়েই চলেছে, ভারত তো বটেই পশ্চিমবাংলায় আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ২২তে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে আকাল হয়ে দাঁড়িয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজার। এই আকালকে দূর করতে রাজ্যের সর্বত্র স্যানিটাইজার তৈরী করতে উদ্যোগী হলো ফার্মাসিস্টসরা। এই ব্যাপারে ফার্মাসিস্টস অ্যাসোসিয়েশন পশ্চিমবঙ্গ এর সম্পাদক সুবিমল বর্মন বলেছেন, “রাজ্য সরকার প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ও রিয়েজেন্ট সরবরাহ দিলে আমরা স্যানিটাইজার তৈরী করে দিতে পারবো, এছাড়াও উনি বলেছেন ফার্মাসিস্টস রোগী পরিষেবার স্বার্থে অনেকটাই ক্লোস কন্ট্যাক্ট এ থাকে রোগীর তাই পর্যাপ্ত মাস্ক গ্লাভস আর PPE KIT দিলে নির্ভয়ে ফার্মাসিস্টস ও  সকল স্বাস্থ্য কর্মীরা পরিষেবা দিতে সক্ষম হবে।“  এ ব্যাপারে প্রোগ্রেসিভ ফার্মাসিস্টস এসোসিয়েশন এর রাজ্য সম্পাদক বিজয় বিশ্বাস বলেন "আমরা সংগঠনের তরফ থেকে রাজ্য স্বাস্থ্য অধিকর্তা ও জেলার আধিকারিকদের জানিয়েছি যদি পর্যাপ্ত কাঁচামাল সরবরাহ করা হয় তাহলে স্যানিটাইজার তৈরী করতে প্রস্তুত আমরা, কয়েকটি জায়গায় যথা উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ, ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ, পূর্ব মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর ও নদীয়া জেলায় ফার্মাসিস্টসরা উদ্যোগ নিয়ে স্যানিটাইজার তৈরী করেছে। যেহেতু নদীয়া জেলায় কোয়ারান্টিন সেন্টার বেশি হয়েছে এবং সাস্পেক্টেড কেস ধরা পড়েছে, তার মধ্যে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের যে অভাব তৈরী হয়েছিলো সেখানে জেলা প্রশাসন ফার্মাসিস্টসদের সহযোগিতায় জেলা পরিষদের মাধ্যমে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরী করছে এবং আগামী দিনে গোটা রাজ্য ব্যাপী স্যানিটাইজার তৈরী হবে পর্যাপ্ত কাঁচামাল পেলে, হঠাৎ যুদ্ধে নামলে কিছুসময় হাতিয়ারের প্রাথমিক অভাব থাকে। আশা করছি পর্যাপ্ত মাস্ক গ্লাভস ও PPE KIT আমরা পাবো, এই যুদ্ধে আমরা আমাদের পরিষেবার মাধ্যমে রাজ্য প্রশাসনের পাশে থেকে করোনা সংক্রমণ কে ব্যাহত করতে চেষ্টা করবো।







এছাড়াও বিভিন্ন কলেজ স্যানিটাইজার তৈরী করেছে। তার মধ্যে বেঙ্গল স্কুল অফ টেকনোলজি অন্যতম, কলেজের ডিরেক্টর ডঃ প্রনবেশ চৌধুরীর তত্বাবধানে প্রায় ১০০০ বোতল স্যানিটাইজার তৈরী করা হয় এবং সুগন্ধা পঞ্চায়েত, বিডিও অফিস ও সাধারণ মানুষকে বিতরণ করা হয়।




Comments

  1. ফার্মাসিস্ট দের স্বাস্থ্য পরিষেবায় আরো ফ্রন্ট লাইনে নিয়ে আসতে ও নতুন ভাবে এই উন্নত মানব সম্পদের ব্যবহার উদ্দেশ্য সরকারের ভাবার সময় হইয়াছে।
    কারণ এতদিনে গোটা বিশ্বে এটা অন্তত পরিষ্কার মানুষের আসল লড়াই করে সাথে।

    ReplyDelete
  2. বর্তমানেে হাসপাতালে যা পরিকাঠামো ও সরবরাহ তাতে ফার্মাসিস্টরা যা সার্ভিস দেয় তা তাদের জ্ঞানের সামান্য প্রয়োগ মাত্র----- যা জলে ভাসমান হিমশৈলের দৃশ্যমান চূড়া মাত্র, বাকি ১১/১২ ভাগইতো জলের মধ্যে অদৃশ্য। এই জ্ঞানের সঠিক প্রয়োগ হলে অনেকে যারা করে কম্মে খেত তাদের সমস্যা হবে অতএব আর না।

    ReplyDelete

Post a Comment

Popular posts from this blog

কেন্দ্রীয় সড়কমন্ত্রী মাননীয় নীতিন গডকড়ির টুইট। ফার্মাসিস্টদের কাজে উৎসাহ প্রদান।

ফার্মাসিস্টদের আপগ্রেডশনের কোর্স চালু হতে চলেছে ভারত টেকনোলজিতে