Posts

Showing posts from March, 2020

করোনা মোকাবিলায় দুঃস্থ মানুষের পাশে কোটালপুর বিপ্লবী সংঘ

Image
সারা বিশ্বে COVID-19 এর প্রভাব বেড়েই চলেছে এবং পশ্চিমবঙ্গে আক্রান্তের সংখ্যা ২৫তে পৌঁছেছে। সারা দেশ ও রাজ্যে লকডাউনের জন্য সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা অনেকটাই ব্যাহত হয়েছে। সেই সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে ৩৫০০ দুঃস্থকে ৫দিন ধরে  পর্যায়ক্রমে চাল, ডাল সহ খাদ্য সামগ্রী, মাস্ক ও স্যানিটাইজার পৌঁছে দেয় ধনিয়াখালী থানার কোটালপুর বিপ্লবী সংঘ। ক্লাবের সম্পাদক রামেন্দু সিংহরায় বলেন, এই লকডাউনে সাধারণ মানুষের যাতে খাবারের সমস্যা না হয় তারজন্য খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিলাম মানুষের কাছে। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মারণ করোনা সংক্রমণ প্রতিহত করতে যা নির্দেশ দিচ্ছেন তার পালন করছি। ক্লাব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্রীড়া সংস্থা থেকে অনুদান পেয়েছিলো এবং ক্লাবকে নিজের পায়ে দাঁড় করাতে সাহায্য করেছিলো তাই আজ আমরা মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারছি। আমি প্রত্যেকটা অনুদান প্রাপ্ত ক্লাব কে অনুরোধ করবো তারা যেনো এই সময়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ায়। সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে পঞ্চায়েত সমিতির স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ হবার সুবাদে সর্বদা সোশ্যাল ডিসটেন্স মেনে চলতে, বারবার হাত স্যানিটাইজার দিয়ে পরিষ্কার করতে এবং...

হ্যান্ড স্যানিটাইজার অভাব পূরণ করতে উদ্যোগী হলেন ফার্মাসিস্টরা

Image
সারা বিশ্বে COVID-19 এর প্রভাব বেড়েই চলেছে, ভারত তো বটেই পশ্চিমবাংলায় আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ২২তে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে আকাল হয়ে দাঁড়িয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজার। এই আকালকে দূর করতে রাজ্যের সর্বত্র স্যানিটাইজার তৈরী করতে উদ্যোগী হলো ফার্মাসিস্টসরা। এই ব্যাপারে ফার্মাসিস্টস অ্যাসোসিয়েশন পশ্চিমবঙ্গ এর সম্পাদক সুবিমল বর্মন বলেছেন, “রাজ্য সরকার প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ও রিয়েজেন্ট সরবরাহ দিলে আমরা স্যানিটাইজার তৈরী করে দিতে পারবো, এছাড়াও উনি বলেছেন ফার্মাসিস্টস রোগী পরিষেবার স্বার্থে অনেকটাই ক্লোস কন্ট্যাক্ট এ থাকে রোগীর তাই পর্যাপ্ত মাস্ক গ্লাভস আর PPE KIT দিলে নির্ভয়ে ফার্মাসিস্টস ও  সকল স্বাস্থ্য কর্মীরা পরিষেবা দিতে সক্ষম হবে।“  এ ব্যাপারে প্রোগ্রেসিভ ফার্মাসিস্টস এসোসিয়েশন এর রাজ্য সম্পাদক বিজয় বিশ্বাস বলেন "আমরা সংগঠনের তরফ থেকে রাজ্য স্বাস্থ্য অধিকর্তা ও জেলার আধিকারিকদের জানিয়েছি যদি পর্যাপ্ত কাঁচামাল সরবরাহ করা হয় তাহলে স্যানিটাইজার তৈরী করতে প্রস্তুত আমরা, কয়েকটি জায়গায় যথা উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ, ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ, পূর্ব মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজ...

কেন্দ্রীয় সড়কমন্ত্রী মাননীয় নীতিন গডকড়ির টুইট। ফার্মাসিস্টদের কাজে উৎসাহ প্রদান।

Image
সারা বিশ্বব্যাপী COVID-19 এর ত্রাস বেড়ে চলেছে যার জেরে গোটা দেশ ব্যাপী লকডাউন চলছে গত 22 মার্চ থেকে। এই যুদ্ধে ডাক্তার নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রতিনিয়ত নিরলস প্রচেষ্টা করছেন এই মারণব্যাধি সংক্রমণ আটকাতে। তার মধ্যে আজ সন্ধ্যা বেলায় কেন্দ্রীয় সড়কমন্ত্রী মাননীয়া নীতিন গডকড়ি টুইট করেন ফার্মাসিস্টসরা স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অন্যতম  শিরদাঁড়া COVID-19 সংক্ৰমণ বন্ধের যুদ্ধে জয় লাভ করার জন্য। তাদের নিরলস প্রচেষ্টার জন্য অনেক মানুষ সুরক্ষিত। আমি তাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি দেশের জন্য তাদের এই অসামান্য বলিদানে। এই টুইট যথেষ্ট ইঙ্গিতবাহী স্বাস্থ্য দপ্তরের কাছে এবং যা ফার্মাসিস্টসদের অনেক উৎসাহ ও মনোবল বাড়াবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহল মহল। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ইন্ডিয়ান ফার্মাসিউটিকাল অ্যাসোসিয়েশন, বেঙ্গল ব্রাঞ্চ এর সভাপতি প্রবীর ব্যানার্জী বলেছেন "আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি মাননীয় নীতিন গড়করি মহাশয় কে ফার্মাসিস্টসদের যে অবদান স্বাস্থ্য পরিষেবায় আছে উনি এটা তুলে ধরেছেন তার জন্য আমরা গর্বিত, আজকে যখনই হেলথ কেয়ার সিস্টেম এর কথা ওঠে তখন সবাই ডাক্তার আর  নার্সদেরই চেনে এর বাইরেও যে বিশাল সংখ্যক স্বাস্থ্য...

দেশব্যাপী লক-ডাউনে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন "প্রয়াস" এর প্রচেষ্টা

Image
বিশ্বজুড়ে এখন একটাই ত্রাস COVID-19 যার প্রভাব আমাদের দেশ এবং আমাদের রাজ্যেও পড়েছে। গত ২৩শে মার্চে গোটা দেশব্যাপী লক-ডাউনের সিদ্ধান্ত কেন্দ্র সরকার ও রাজ্য সরকার নিয়েছিলো মানুষের জীবন রক্ষার তাগিদে। রাজ্য ও কেন্দ্র সরকার বিনামূল্যে রেশনের ঘোষণা করলেও হুগলি জেলার তারকেশ্বরে ভবগুরে মানুষদের মুখে খাবার সাথে চাল, ডাল,আলু, সয়াবিন, বিস্কুটের প্যাকেট তুলে দিলো স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন প্রয়াস। সংগঠনের সভাপতি অর্পিতা মুখার্জীর বক্তব্য "আমরা গত ২৫শে মার্চ ২০২০ তারিখ থেকে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি, প্রত্যেকদিন ২৫ জন মানুষকে খাবার দিয়েছি এবং প্রত্যেকদিন ২০টা পরিবারের হাতে চাল ডাল সয়াবিন তুলে দিয়েছি, আগামী দিনগুলিতে প্রতিদিন ১০০ পরিবারকে এই সাহায্য করবো যতদিন লকডাউন চলবে ততদিন মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করবো এছাড়াও আমরা তারকেশ্বর অঞ্চলের মধ্যে ৬০ ঊর্ধ বৃদ্ধ-বৃদ্ধা আছেন যাদের ওষুধ সহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস আনার কেউ নেই তারা আমাদের ফোন করলেই আমাদের সদস্যরা ওষুধ ও নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে"। এছাড়াও প্রত্যেক মানুষকে সোশ্যাল ডিসটেন্স, প্রতিনিয়ত হাত পরিষ্কার ও সবাইকে বাড়িত...

লক ডাউন পরিস্থিতিতে পুলিশের অত্যাচারের অভিযোগ

Image
মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার লক ডাউন সংক্রান্ত নির্দেশিকাতে জানিয়েছিলেন প্রয়োজনীয় দ্রব্য সবজি মুদিখানার দোকান সব খোলা থাকবে। কিন্তু আমাদের রাজ্যের পুলিশপ্রশাসন তা না বুঝেই যাকে সামনে পাচ্ছে গায়ের জোড়ে লাঠি চার্জ করছে। কিছু জিজ্ঞাসা না করেই সামনে পেলেই মার ধোড় করছে । এসব ছেড়ে দিলাম বাজার করে মানুষজন ফিরছে তাদের ব্যাগ কেড়ে নিয়ে ছুড়ে ফেলে দিচ্ছে, হাটে-বাজারে দোকানদারদের তাড়া করছে, সবজিওয়ালা দের ঠেলা উল্টে দিচ্ছে, ভয় দেখিয়ে মুদিখানার দোকান বন্ধ করে দিচ্ছে। এগুলো কি ওনাদের বলা আছে? মানুষ কি তাহলে খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে ঘরে বসে থাকবে?  ফেসবুক থেকে পাওয়া কিছু ছবি দেওয়া হলো যেখানে যা দেখলেই  পুলিশের অমানবিকতার চরম নিদর্শন গুলো পাওয়া যাবে।